COVID-১৯ এ আক্রান্ত বালক এখন গান গেতে পারে

পার্বত্য চট্টগ্রামে জন্ম নেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র মহাইমেন আল রাদি। ছোটবেলায় পারা প্রতিবেশী সুন্দর মেয়েরা পাত্তা না দেয়ায় “আমি ঢাকা যামু” বলে অভিমান করে রাদি ঢাকা শহর এ বসবাস করার ইচ্ছা পোষণ করে।

শেষ পর্যন্ত দুর্ভিক্ষ ও মানসিক রোগের সাথে লড়াই করতে করতে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ভাবে ভর্তি হয়। ভর্তি হওয়ার জোরে সে অচেনা অনেক লোকের সাথে ভাব করে এবং থাকা শুরু করে। খুব কম বছর বয়সে ই সে সিগারেট থেকে শুরু করে মাঝখানে বিস্কিট খাওয়া শুরু করে।
বিস্কিট এর সাথে চা এর কোনো বিকল্প নেই বলে সে ঢাকা মেডিক্যাল এর থানক্যু মিয়ার চা এর দোকানের চা খাওয়া শুরু করে। কিন্তু সেখানে অনেক রোগীর সাথে দেখা হতে হতে সে একটি রোগীর প্রেমে পরে যায়। কিন্তু সে জানতো না যে রোগী টি COVID-১৯ এর রোগী। রোগীর সাথে সংস্পর্শে আসায় সে নিজেও অসুস্থ হয় পরে।
ডাক্তার তাকে টেস্ট করে পজিটিভ রেজাল্ট পায়। কিন্তু তাকে বলার সময় দেখেন যে সে হতে তার নিজের ও ডাক্তার এর জুতা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। পালানোর সময় সে চিৎকার করে বলে “ছাইরা দে মা কাইন্দা বাঁচি, দিমু না আর হাঁচি কাশি”।

পলাতক অবস্থায় সে একটি রিকশা দিয়ে রাজশাহী চলে যায়, এবং ওখান থেকে বাস এ করে সিলেট এ চলে আসে। সিলেট এ সে তার নিজের রুমে বসে এখন কম্পিউটার গেমস্ খেলার নামে অনলাইন এ এখন ভাইরাস ছড়াচ্ছে। পুলিশ তার নামে থানায় জিডি করে রেখেছেন কিন্তু মেসেজ সিন করে রাখে দেখে তাকে আটক করা যাচ্ছে না।
উপরের ছবি রাদি COVID-19 এর সাথে ফার্মগেট এ দেখা করার সময় তুলা হয়েছে। তাকে ধরিয়ে দিলে দণ্ডনীয় শাস্তি হবে।
সবাই বলুন আমীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *