ফেনী শহরের পূর্ব উকিল পাড়ার কিশোর আব্দুল্লাহ আল মারুফ।তার স্থায়ী বাড়ি লেমুয়াতে।সে ফালাহিয়া মাদ্রাসার আলিমের ছাত্র।সে পরিবারের ছোট ছেলে এবং তিনজন বড়লোক ডুলাভাই এর একমাত্র শালা।তার পিতা লেমুয়া ইউনিয়নের কাজী।তারা অর্থনৈতিক দিক দিয়ে যটেষ্ট সচ্ছল।মারুফের তেমন কোন সমস্যা নেয়।তবে সে খুবই সচেতন।সে চেষ্টা করে তার মা বাবার টাকা যত কম খরচ করা যায়।সে খুবই কিপ্টা।সে সবসময় অন্যেদের থেকে খেতে চায়।কিন্তু নিজে কখনোই খাওয়ানোর কথা বলে না।সে তার সকল কাজিনদের থেকে সব সময় ট্রিট নেয়।সে কিন্তু অনেক বড় খাদক।বর্তমানে গরুর মতো হয়ে যাচ্ছে।আর সবার থেকে ট্রিট নেওয়ার জন্য সারাদিন বক বক করে।কিন্তু সে নিজে জীবনেও কাউকে ট্রিট দেয় না।আবার কাউকে নাকি বিয়ের আগে ট্রিট দিবে না।গত বুধবার সে তার কাজিনদের কে আশ্বাস দেয় সে ট্রিট দিবে এবং কাজিনদের গ্রাম থেকে আসতে বলেন।পরে সে ট্রিট দিবে না বলে অস্বীকার করে।ভোরবাজার থেকে আগত তার মামাতো ভাই আমজাদ ও মেশকাত এবং ফেনীতে থাকা মামাতো ভাই সাকিব ও আসিফ তাকে পায়ে ধরে পর্যন্ত রিকোয়েস্ট করে।তারা ৪জন মিলে তাকে অনেক রিকোয়েস্ট করে তা সত্ত্বেও মারুফ তাদেরকে ট্রিট দেয় নি।তারা বলেছিল মাত্র ৫০০টাকার ট্রিট দিতে।কিন্তু সে কোনভাবে দেয় নি।মারুফকে তারা অসংখ্যবার বলেছিল অন্তত ৩০০টাকার ট্রিট দিতে কিন্তু সে দেয় নি।সে এত বেশী কিপ্টা।সে চায় না তার ২টাকা অন্য কেউ খাই।সে সবসময় চেষ্টা করে মা বাবার টাকা বাচাতে এবং নিজের টাকা বাচাতে।মারুফ বলে আমি চাই না আমার এক টাকা অন্য কারোর জন্য নষ্ট করতে।কি দরকার আমার অথবা আমার বা মায়ের টাকা অন্যকে ট্রিট দিয়ে নষ্ট করার?এসব কিছু থেকে বুজা গেল মারুফ ফেনী জেলার সবচেয়ে বড় খবিশ ও কিপ্টা ছেলে।