নারায়নগঞ্জ কোচিং সেন্টার লাইসেন্স নেই তবুও চালিয়ে আসছে শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক স্যার। এর কারনে অনেকবার জেল খাটতে হলেও তিনি থামে নি। জেলা পুলিশ জানায় তাকে এ ব্যাপারে অনেকবার সর্তক করা হলেও তিনি তার বানিজ্য থামাননি। তিনি নিজেকে ফ্রিল্যান্সার দাবি করেন। যা আইসিটির ২৩২ ধারায় মারাত্নক অপরাধ।
কয়েকদিন ধরে তিনি NCC Travels নামে একটি ট্রাভেল এজেন্সি খুলে যেখানে সে পাপ্পু ও তাইজুল নামে ২ জন সহযোগী রেখছেন। যাদের একজন ইংল্যান্ড থেকে চলে এসেছে যার সত্যতা Channel 34 News এর কাছে আসে নি। সেখানের এক স্থানীয়র মতে ইংল্যান্ড গেলে একজন কেন দেশ আসবে?? তা সন্দেহজনক এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে পরর্বতীতে সে ভিডিওটি Delete করে দেয়। এবং তার আরেক সহযোগী তাইজুল ও একটি মামলায় জড়িত আসামী। মোট মিলিয়ে নারায়নগঞ্জ কোচিং সেন্টার একটি অবৈধ প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে।
পুলিশ শফিকুল ইসলামকে খুজতেছে তাকে পেলে সর্বনিম্ন ৫ লক্ষ টাকার জরিমানা এবং ৬ মাস জেল এর নির্দেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।